যেদিন আপনার মৃত্যু বার্ষিকি ছিলো, সেদিন আপনাকে নিয়ে কোন কিছু না লেখার জন্য আপনি হয়তো ভেবেছেন আপনাকে আমি ভুলে গিয়েছি। সেটা সত্যি নয় বরং সকলের সামনে ভালোবাসা প্রকাশ করার থেকেও উত্তম হচ্ছে তার জন্য এমনভাবে দোয়া করা যাতে তা অন্যান্যদের মতো লোক দেখানো না হয়। আজকে আপনার পক্ষ হতে কিছু বার্তা পেলাম। বুঝে উঠতে পাচ্ছি না যে, টুইনটাওয়ার ধ্বসের কারনে আপানার প্রিয় বন্ধু বান্ধবদের হারানোর কারনে একা হয়ে পড়া এবং তারই সুত্র ধরে একে একে বহু মানুষের বেঁচে থাকার আনন্দ হারিয়ে ফেলার কারনে বা অন্য কোন কারনের ফলে আপনার মৃত্যু হয়েছে, এখনো বুঝে উঠতে পারনি। নাকি ফিলিস্তিনের অসহায় মুসলিমদের মাঝে সৃষ্ট যুদ্ধ্যের কারনে আপনার মৃত্যু হয়েছে! আপনি সব সময় আমেরিকানদের প্রতিষ্ঠানের খবর পছন্দ করতেন এবং শুনতেন। তবে কি ধরে নিবো টুইনটাওয়ার দুর্ঘটার সুত্র! নাকি ফিলিস্তিনের ও ইহুদিদের ঝামেলায় পরে! ফিলিস্তিনের ঝামেলা খবর আপনার মৃত্যুর অনেক পরে পেয়েছি। সে হিসেবে ধরলে আমেরিকায় সৃষ্ট সমস্যার ফলে। এছাড়াও যতদুর সম্ভব মধু ও পুর্নিমার ষড়যন্ত্রে প্রান গিয়েছে আপনার। সেই অদৃশ্য খুনিদের আমি খুজে বেড়াচ্ছি এখনো। এই খোজের জন্যই করোনা ভাইরস সৃষ্টি হয়েছে কি না জানি না। যদি তা আমার সৃষ্টি হয়, তবে সেই অদৃশ্য খুনি এবং শক্তিরা নিজেদের মুখ লুকাচ্ছে আড়ালে। আর যদি করোনা ভাইরাস তাদের সৃষ্টি হয়, তবে ভুয়া ডাক্তার টার্গেটে। আপনার কাছে শুনেছিলাম, ডাক্তার আসিবার পুর্বেই রোগী মারা গেলো নামক এক বাক্য। এসব এক একটা সুত্র। তবে একজন প্রিয় মানুষের মৃত্যুর জন্য শুধু মাত্র একটা মৃত্যু হতে পারে না! তবে? তা বলছি না। চাঁদের দেশের সেই পুরনো রহস্য সমাধানের জন্য চেষ্টায় আছি। এখানে হয়তো বা রহস্যের সমাধান পাওয়া যাবে। কিন্তু আপনার মৃত্যুর তারিখেই আমার এক আত্বীয় বা পছন্দের মানুষের বাবা মারা গিয়েছেন। এসবের মাঝে চলে আসে ৫২ হ্যাঁ ফিরে এসেছি ১৯৫২ সালে। পথে বাধা হয়েছিলো একজন প্রধান মন্ত্রীর চেহারা। সেই প্রধান মন্ত্রীর চেহারা নরেন্দ্র মোদি এর মতো। জিতলে ঔষধ কাজ করবে আর না জিতলে মৃত্যু। হ্যা, এটাই ছিলো চ্যালেঞ্জ। খুব কষ্ট দিয়েছে ইঞ্জেকশন। কিন্তু আবার শান্তি পেয়েছি, যখন দেখেছি আমি জিতেছি। বাকি ঔষধদের হারানো কোন ব্যাপার মনে হয়নি। সেটাতেও জিতেছি এবং অদৃশ্য রাস্তা নিয়ে এসেছে ১৯৫২ সালে। ভাষা আন্দোলনের রহস্য উৎঘাটন ও তার সমাধানের জন্য। খুব কষ্ট হয়, যখন দেখি এই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বিপরিতে থাকা অজস্র শক্তিশালি ব্যাক্তিরা আমাকে আক্রমন করার জন্য একা একা আসছে। তারা হয়তো মৃত কিন্তু তাদের শক্তি একবিন্দুও কমেনি। মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হয়। এভাবে অতীতে এসে যুদ্ধের সাথে সাথে বর্তমানকে বাচিয়ে রাখার জন্য উপার্জন করতে হয়। আমকে এই অতীতে কিভাবে এলাম এবং কিভাবে এই অতীতে আসা যায়, তা অন্য কোন ব্যক্তিকে এই শিক্ষা হয়তো দিবো না। দেওয়াও সম্ভব নয়। কারণ, এটা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রত্যেকটা অপরাধী কত সুন্দর ভাবে তাদের রাজত্ব চালাচ্ছে। ভুলে গিয়েছে ১৯৫২ সালের ইতিহাস অথবা গঠন করেছে .১৯৫২ সালের ভাষা আন্দলনকারীদের গোপনে হত্যা এবং মেয়ে বা মহিলাদের স্ত্রী কিংবা কাজে নিয়োজিত করার জন্য এছাড়াও ভয়ংকর কিছু। এসব লিখছি না। কিন্তু ১৯৫২ সালে এসেছি আপনার জন্য। আর সেই আপনি বার্তা বা বানী বা চিঠি দিলেন “আমাদের ভুলো না লিখে” সেটা লেখা ছিলো আপনার হাতে। আপনার মৃত্যুর সময় আপনি আপনার হাত উঠিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সে যাইহোক, কাঁদতে ভুলে গিয়েছি। কারন আমি ১৯৫২ সালে। যুদ্ধে কাঁদা মানে হচ্ছে পরাজয় এর একটি উৎস। বর্তমান সময়ে বা ২০২৪ সালে পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যে আপনাকে মন্দ বলবে। তবে আপনার মৃত্যুর পর আমি একটা ভুল করেছি। সেটা ভুল নয়, সেটা একটা সুত্র ছিলো ১৯৫২ সালে প্রবেশ করার। ১৯৫২ সালে এসেছি আনার পুর্বের সেইসব শত্রুদের আবার মারতে এবং তাদের মারার পুর্বে আমাকে আপনি ভেবে আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আপনি বার্তা পাঠিয়েছেন “আমাদের ভুলো না” । তাই আপনার জন্য এই বার্তা। আমাকে ২০২৪ সালে খুজে পাবেন না। পাবেন ১৯৫২ সালে। ২০২৪ তখন থাকি যখন খাওয়া দাওয়া করতে হয়। তারও কোন ঠিক ঠিকানা নেই। কোনদিন এক বেলা বা দেড় বেলা খাই। পকেটে টাকা নেই ঠিক তাও নয়। ওই যে বললাম ১৯৫২ সালে এসেছি। আপনার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, দোয়া কোনোটাই ইনশাল্লাহ কমবে না। একজন শ্রেষ্ঠ বাবা কে আমি কিভাবে ভুলতে পারি! ইল্লিন অথবা সিজ্জিন, যেখানেই থাকেন, এই চিঠি এবং আপনার চিঠির উত্তর হিসেবে এটি পৌছে যাবে ইনশাল্লাহ।
ধন্যবাদ,
আপনার বড় ছেলে।
এখানে আমার নাম লেখার প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না। কারণ, আমি জানি আপনার প্রিয় পুত্র সন্তান আমি এবং আমাকে চিনতে আপনার ভুল হবে না।
Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop