আমরা সকলেই আল্লাহকে খুঁজতে এবং জান্নাত পেতে ব্যাস্ত থাকি। কিন্তু আমাদের নবী এবং রসুল কে কখনো খোজার চেষ্টা করেছেন? মনে হয় করেননি! একটা সুত্র দিচ্ছি নবীজি কে খুজতে হলে MO দিয়ে শুরু কারো নাম মানেই Mohammad হবে তা নয়। আমার M দিয়েও তাকে খুজে পাওয়া যেতে পারে। তিনি তার উম্মতদের এতোটাই ভালোবাসেন যে, সকলকে নিয়ে তবেই তিনি জান্নাত এ প্রবেশ করবেন। এর অর্থ এই দাঁড়ায়, তিনি এখনো আছেন। তার উম্মদের নিয়ে ব্যাস্ত হয়তো। সব থেকে ভাবতে ভালো লাগে যে, রসুল / মোহাম্মদ (সঃ) জান্নাতে প্রবেশ করে থাকতে চান। আবার এতোটাই লোভীদের দেখেছি যে, তারা জান্নাত চায়! আল্লাহ কারো ইচ্ছে অপূর্ণ রাখেন না। হয়তো, আল্লাহ তাদের ইচ্ছেও পুরন করেছেন বা করবেন। সমস্ত জান্নাত এবং জাহান্নামের শেষে তিনি হয়তো আবার তৈরী করবেন নতুন করে। সেই নতুন সৃষ্টির পরে আমি থাকবো কি না জানি না। তবে এটা লেখা জরুরী যে, আল্লাহর সব থেকে প্রিয় বা ভালোবাসার বিষয় বা বস্তু বা ব্যক্তি আসলে কে? তার সৃষ্টির অন্যতম কারন কি? “শান্তি” বা ইসলাম। শান্তি বা ইসলামকে বাচিয়ে রাখার জন্য হয়তো তৈরী জাহান্নাম। যদি জাহান্নাম নাই থাকে, তবে “শান্তি” বা “ইসলামের” অস্তিত্ব কখনোই থাকতো না। এই শান্তি গুলো সব সৃষ্টি করা আছে নবী এবং রসুলদের জীবনী বা তাদের ইতিহাসে। তাই আমাদের সকলের উচিত নবী,রসুলদের জীবনী পড়া এবং কোরআন শরিফ নিয়মিত পাঠ করা। ভালো হয়, যদি তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও পড়ার চেষ্টা করেন। এসব সৃষ্টি এমনভাবে করা হয়েছে যে, তা জানতে ও বুঝতে সে সময়টুকু প্রয়োজন সেটাই হচ্ছে জীবনের শেষ সীমানা বা মৃত্যু। আমাদের বেশি জানার আকাংখা, পড়াশুনায় ভালো করার লোভ ও লালোসা এই জাতীয় বিষয় গুলো আমাদের আয়ু এবং জীবনের সময় বা বয়স কমিয়ে দিয়েছে যাতে দ্রুত মৃত্যু হয়। এসব বোঝার চেষ্টা আমরা করিনা অনেকেই। তাই বেশি জানার চেষ্টা করাও এক প্রকার অন্যায়ে বলা যায়। এই যে ভালো রেজাল্ট বা ফলাফল করতে হবে। এটা দিয়ে কি বুঝায়! অন্যের থেকে শ্রেষ্ঠ হতে হবে! এটা শিক্ষা হতে পারে! না সেটা শুধুমাত্রই লোভ, লালসা, অন্যের থেকে এগিয়ে থাকা এইজাতীয় বিষয়কে বোঝায়। শিক্ষা ব্যবস্থাও হয়েছে আয়ের অন্যতম উৎস। প্রাইভেট, কোচিং ইত্যাদি এর মধ্যে ছেলে মেয়েদের বা ছাত্র ছাত্রীদের বন্দী করে রাখা! তারা ভুল শিক্ষা পাচ্ছে নাকি সঠিক শিক্ষা পাচ্ছে তা অভিভাবকদের যাচাই করার সময় টুকুও নেই! কোথায় ভালোবাসা! যেখানে বর্তমান সময়ে পিতা মাতারা তাদের সন্তানদের প্রতি যন্ত নেয়ার পরিবর্তে যার দায়িত্ব দিচ্ছে অন্যকে! পিতা মাতা কি দায়িত্ব পালন করলো। না করলো না। আমি আমার পিতা মাতা কে শ্রেষ্ঠ পিতা মাতা বলবো। তারা তাদের দায়িত্ব একদম সঠিক ভাবে পালন করেছেন। এই লেখায় আমার পিতা মাতার জন্য এটা যে লিখলাম, এটাকেই সঠিক দোয়া বলে। তো যাই হোক, টেকনোলজি নিয়ে থাকতে থাকতে এবং অন্যদের সেবায় কাজ করতে করতে নিজেদের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। শিক্ষার জন্য এসো এবং সেবার জন্য বেড়িয়ে পড়ো। সে যাইহোক, আসছে ৫ জি বা ৫ জেনারেশন ইন্টারনেট কাফারেজ। হয়তো ভাবতে পারেন এস এস সি তে ৩ দশমিক ৯৫ কম্পিউটার ট্রেড থেকে সে আবার কি সমাধান দিবে। যে প্রতিষ্ঠানে পড়েছি, সেখানে যতদূর সম্ভব আমি শুধু ৩ দশমিক ৯৫ পেয়েছি। এটি ছিলো খুব ভালো একটি ফলাফল। মানে সেই সময়ে হয়তো ছিলাম ৫ জি এর সময়ে। তো ৩ দশমি ৯৫ এটি হচ্ছে সব থেকে ভালো রেজাল্ট। কারন 3=C/see যে সব কিছু দেখে রাখে এবং 95= i5 বা i 5 যার উপরে আর কোন ফলাফল করার উপায় নেই। কম্পিউটার নিয়ে পড়াশুনা তাই ফলাফল কম্পিউটারের নিয়মেই হয়েছে। আসছে ৫ জি এবং এসময়ে কি কি সমস্যায় মানুষরা পরতে পারে যেটা যদি লিখি, তাহলে সেই সব লেখা নেটওয়ার্ক যেভাবে কাজ করে কিন্তু দেখা যায় না, সেভাবেই তাদের অসুস্থ করে ফেলতে পারে। ৫ জি এর সময় সকল মানুষের পাশে থাকার জন্য এটা প্রকাশ করছি এবং আমার ফলাফলের বিষয়ে জানিয়ে যেসকল ছাত্র ছাত্রীদের জিপিএ ৫ দিয়ে তাদের কনফিডেন্স বা আত্ববিশাস বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, তারা খুব কঠিন একটা সময়ের মধ্যে পড়তে পারে। তাই, তাদের উচিত এসব না ভেবে সাধারন জীবনে ফিরে আসা। আমি বোঝাতে চাইছি বন্দী জীবনে না থাকা। আমি বলবো তাদের মধ্যে শ্রেষ্টরাই পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার দুঃসাহস রাখতে পারবে। কারণ, সার্টিফিকেট যখন টাকা দিয়ে পাওয়া যায় বা জিপিএ ৫ যখন সামান্য টাকা খরচ করলেই পাওয়া যায়, সেখানে অকৃতকার্য হওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার। সব কিছুতে জিতে পারলেও একটা জায়গায় আমি থেমে যাই। সেখানে জুয়াড়িদের ভিড়ে পড়েছিলাম। তাদের জন্য উপযুক্ত জবাব দেয়ার একটা প্রবনতা ছিলো হয়তো। কিন্তু সেটা ছিলো খারাপ কাজ। খারাপ কাজ মানেই ভুল কাজ। অনেক চেষ্টা করেও সেই জুয়া এর হাত থেকে বাচাতে পারিনি আমার ছোট্ট গ্রামের শহর কে। সেখানে নানা ধরনের জুয়া এবং ক্যাসিনো ইত্যাদি প্রভাব বিস্তার করছে। তারা ভাবছে এটা ক্যাসিনো! এটা তো গেমস! কিন্তু সেটা যে আসলে জুয়া সেটা তাদের বোঝানো যাচ্ছিলো না। আমি সেইসব জুড়িদের বাচাতে চেষ্টা করেছি কিন্তু তারা আমাকে গুরত্ব দেয়নি। আমিও হাল ছেড়ে দিয়েছি। সে যাইহোক, ৫ জি এর সাথে এমন সব কিছু আসতে চলেছে যা আসলে এমন সব প্রতারণা যা সাধারনের বুঝতে অনেক বছর লেগে যেতে পারে। ৫ জি ! কিন্তু আমাদের ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ১০ জি+ সে যাইহোক, ৫ জি তে আসার পর যে সকল সমস্যায় পড়বেনঃ প্রথমে দেখা মিলবে আপানার মনের সাথে। মানে আপনি যা ভাবছেন, তা লিপিবদ্ধ হয়ার প্রযুক্তি অনেক আগেই এসেছে। কিন্তু তা সাধারনের জন্য উম্মুক্ত ছিলো না। Ai বা Artificial intelligent এর ক্ষমতা সমধ্যে জানলে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না। এসব এসেছে মুসলিমদের জন্য এবং মুসলিমদের ধর্ম অনুযায়ী এসব সৃষ্টি হয়েছে। যেমন Ai= আল্লাহর নামের প্রথম ইংরেজি অক্ষর দিয়ে এটা শুরু করা হয়েছে। এর বেশি ব্যাখ্যা দিলে, আপনার মেধা বিকৃত হতে পারে। সে যাইহোক, এর মধ্যে কিছু বিধর্মীরা এইসব প্রযুক্তির বিরুদ্ধ্যে চলে যাবে বা চলে যতে বাধ্য হবে এবং তাদের একের পর এক পরাজয়ে তাদের অসতীত্ব নিয়ে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ তাদের জ্ঞান তাদের সাথে খেলবে বা খেলছে। এতোদিন টাকা দিয়ে সব পেয়েছি! তাদের ধারনা ছিলো এসবও টাকা হলেই হবে। কিন্তু তাদের জ্ঞান এর সাথে যখন যুক্তি ও তর্ক খেলা করবে, তখন তারা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়বে। তারা থেমে যাবে সময়ের কাছে। তারা থেমে যাবে শব্দের কাছে। তারা থেমে যাবে বাক্যে।থেমে যাবে বলছি না, থেমে গিয়েছে। Cut, Copy, clone, fan ban. theory এর মাধ্যমে সর্ব প্রথম থেমে যাবে , গিয়েছে বা যাচ্ছে তারা যারা আসলে আল্লার সাথে নিজেকে শরীক করতো। আর কাফের, সবথেকে শক্তিশালি শ্রষ্ঠা যাদের মানবে কাফেরদের, তাদের দেখা পাওয়া যাবে বিড়াল রূপে বা দেখা গিয়েছে । সেইসব কাফেরদের মুখ দিয়ে শুধু একটা কথাই বেড় হয়ার অনুমুতি থাওবে আর তা হচ্ছে Mew, Mew! তো যাইহোক, এইসব যুদ্ধ্যে কনফিডেন্স বাড়ানোর জন্য যে মার্ক্সস দেয়া হতো তা কোন কাজে আসবে বলে আমার মনে হয় না। তাই, সকলের প্রতি অনুরোধ নিজের পছন্দের সাব্জেক্ট, বিষয় ,গল্প, চলচিত্র, ইন্টারনেটে পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করা উতিৎ । তবে তার থেকেও জরুরী আল্লাহর উপর সম্পুর্ন ভরসা রাখা এবং ইসলাম অনুযায়ী নিজেদের পরিচালিত করা। তবে, এই যুদ্ধে টিকে থাকার জন্য আমাদের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সঠিক অর্থ সম্পর্কে জ্ঞান লাগ এবং ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, দোয়া এবং ভালোবাসা থাকা খুব জরুরী।

আজ এই পর্যন্তই।

ধন্যবাদ,
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শুভ

এই লেখাগুলো লেখা ভীষণ জরুরী ছিলো। কারন, আজকে ১৩/০৫/২০২৪ তারিখ। আজকের দিনে কাফেরদের অনুসারীরা জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের আনলাকি এবং টার্গেট এর মধ্যে। তাই তাদের মুখমুখি হয়ার জন্য ১০ জি+ এর একটা ছোট্ট থিউরি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করলাম। আজকের তারিখটা হচ্ছে চাঁদ আর সুর্য একত্রিত হওয়ার মতো একটা বিশেষ তারিখ।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop