ভেবেছিলাম যে দুই এক লাইন লিখবো। কিন্তু কিভাবে যেন, গল্পগুলো আসতে লাগলো। লিখে ফেললাম বেশ অনেক গুলো লাইন। Revision আমার খুব অপছন্দের একটি ব্যাপার। হ্যা, বলতে পারেন একটা সৃষ্টিকে সুন্দর করার জন্য Revision প্রয়োজন কিন্তু আমার সৃষ্টিকে Revision দিয়ে ধ্বংস করার ইচ্ছে নেই। যদি বানান ভুল হয় বা যদি ছন্দ নাও মেলে, তবুও সৃষ্টিই ধ্বংস করতে আমি ইচ্ছুক নই। এই গল্প লেখার পর, Revision দেয়া তো দুরের কথা, একবার পড়েও দেখিনি।

গল্পঃ প্রেত আত্তা/আত্মা দের কাছ থেকে পরী উদ্ধার

ছোট থাকতে আমার প্রিয় একজন একটা গান গাইতো আর সেটা ছিলো “ও মাস্টোর সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই”

সে যাইহোক, এরপর কেটে গেলো বহু বছর। Chemistry এর খাতা পেলাম। তারমধ্যে আমার এক বন্ধু Chemistry তে দুর্বল। সে আসলো আমার কাছে সাহায্য চাইতে। সই দিতে হবে Chemistry এর Sir এর সই এর মতো করে। Chemistry এর Sir এর সই দেখে আমি অবাক। বাহ এতো সুন্দর ও চমৎকার একটা সই! সেটা তৈরী করতে আমার খুব বেশি সময় লাগেনি। বন্ধুর খাতায় সেই সই দিয়ে দিলাম। সেটা ন্যায় বা অন্যায় সেসব আমি তখন বুঝতামনা। শুধু বুঝতাম যে, মানুষের উপকার করার মাঝে শান্তি এর অন্যতম একটি অংশ। Chemistry এর Sir এর সেই সই আমার ভীষণ পছন্দ হয়ে গেলো। নিজের অজান্তেই আমি আমার সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে Chemistry এর Sir এর সই ব্যবহার করা শুরু করলাম। আসলে সেই সই এর মধ্যে কি লেখা ছিলো তা কখনো বোঝার চেষ্টা করিনি। বহুবছর পর তার সেই সই এর সঠিক অর্থ উদ্ধার করেছি। সেখানে সুন্দরভাবে লেখা ছিলো “A. আলিম” যা আসলে আল্লহর ৯৯ টি নামের মধ্যে একটি এবং এর মানে বা অর্থ হচ্ছে “সর্বজ্ঞ” । সর্বজ্ঞ সমধ্যে Google search engine থেকে জানতে পাড়লাম । সর্বজ্ঞ অর্থঃ “সবজান্তা বা সব কিছু জানে এমন” । ভাবতে অবাক লাগছে, সেই ছোটবেলায় “ও মাস্টোর সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই” যার কাছে শুনতাম, ঠিক সেই এলাকায় যে স্কুলে পড়তাম, সেখানে একজন হিন্দু শিক্ষক কিন্তু হিজড়া ধরনের স্বভাব ছিলো। তিনি আমাদের অংক এবং অংকন বা ছবি আকা এর Class নিতেন। তিনি আমাকে অন্যদের থেকে আলাদা ভাবে দেখতেন। তার বাড়ীতে Private পড়তাম। তার বাড়ীতে প্রচুর কবিতর / কবুতর থাকতো। সকালে উঠে সেগুলোকে খেতে দিতেন। Private এর পাশা পাশি আমাকে একটা কাজ করতে হতো যেমন তার দাঁড়ির পাকা চুল তোলা। এটা খুব বিরক্তিকর একটা কাজ ছিলো। সে যাইহোক, সেই হিন্দু শিক্ষক আমাকে ছোট বেলায় সবজান্তা শমশের বলে সমন্ধন করতেন। আজকে সাহস করে Google এ Search করলাম যে সবজন্তা শমসের আসলে কে বা কি? উত্তর পেলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রের কাছে। তিনি লিখেছেনঃ এই উত্তরটা দিতে একটু লজ্জিত হচ্ছি এইজন্য যে গল্পটি যার লেখা তার নামটা স্মরণ করতে পারছি না এই মুহূর্তে।

“গল্পটি আমাদের ক্লাস সেভেনের দ্রুতপঠন বইতে ছিল। ছোট্ট কিশোর শমসের একজন বিশিষ্ট জ্ঞানী সে সবকিছু জানে। ট্রেনে উঠলে মনে হয় ট্রেনটি দাঁড়িয়ে আছে আর গ্রাম চতুর্দিকে ঘুরে এটাও সে জানে, তার জানার কোন শেষ নাই। শহর সম্পর্কেও তার জ্ঞান অগাধ।

তো একদিন কি হলো? তার বাবা তাকে শহরে নিয়ে গেল। তারপর ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ সে দেখতে পেল তার বাবা নেই। শুরু করে দিল কাঁদা। চিৎকার করে যখন অস্থির হয়ে কাঁদছে, তখন হঠাৎ বাবা ফিরে এসে বলল, তুমি তো সবই জানো, তবে কাঁদছো কেন?

সংসার তখন লজ্জিত হয়ে বললো আর জানার কথা বলবো না। এভাবেই সবজান্তার চরম শিক্ষা হয়।”

এই লেখক শমসের এর জায়গায় কেন সংসার লিখেছেন জানিনা। ইচ্ছে করেও লিখতে পারেন আবার এটা তার ভুলও হতে পারে। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী এর এতো বড় একটা ভুল কি ভাবে হতে পারে! কি ভাবে সে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে Chance পেতে পারে! বর্তমান সময়ে এটা এই প্রমান করে যে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সঠিক শিক্ষক বা কর্মকর্তা এবং কর্মী নিয়োগ দিতে ব্যার্থ হয়েছে। এটা যদি তার ইচ্ছেকৃত ভুল হয়ে থাকে, তবে নিশ্চিত ধরে নিবেন সে একজন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বিরোধী। অথচ এই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ভাষা আন্দোলনের সময়ে। আরো অবাক হলাম তখন, যখন সেই ভাষা আন্দোলন এর সবথেকে বড় অপরাধী (নাম), যার জন্য বাংলা ভাষা এর ভাষাশহীদ রা প্রাণ দিয়েছেন! সেই পরাধীকে যখন দেখি সেই ছোট বেলায় যে আমাকে “ও মাস্টোর সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই” এই গানটি শোনাতো তার স্বামী। সেই লোক আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। ভাষার মাধ্যমে মানুষকে হত্যা করা যায় তখন এটা শিখেছি, যখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আমরা যে বলি “Cancer” নামক রোগের কথা এবং Stock এর কথা, এগুলো আসলে ভাষা আন্দোলন এর অন্তরভুক্ত এবং যারা “Cancer” নামক রোগের কথা এবং Stock রোগে মারাযায়, তারা আসলে বাংলা ভাষা আন্দোলনের বিরোধীদের আক্রমনের স্বীকার। আমি যখন এই রহস্য উৎঘাটন করার জন্য তাদের দাঁরা পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তী হলাম, তখনও আমি এটা বুঝতে পারিনি যে আমি আমার নিজের বিপদ ডেকে নিয়ে আসেছি। দুরভাগ্যক্রমে, সেখানে অদৃশ্য এক যুদ্ধের মুখোমুখি হই। সেটা এতোটাই ভয়ংকর ছিলো যে তা যদি সম্পুর্ন লিখি, তাহলে আমার পরিচিতরা ভীত হয়ে পড়বে যা আমি চাই না। একজন সাধারন ছাত্র কখনো তার Department head এর সাথে জ্ঞানের যুদ্ধে জয়ী হতে পারে না। যখন দেখলাম যে এক এক করে আক্রমন আসছে, সব সামলে নিয়েছি কিন্তু শেষে গিয়ে দাঁড়ালাম Department head এর সামনে। সে যুদ্ধে চাইলেই আমি হয়তো জয়ী হতে পারতাম কিন্তু আমার বাবাও দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সাথে যুক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধ্যে যাওয়া মানে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যাওয়া। কিভাবে যেন ভাগ্যে জুটলো একজন জজ এর বাড়ীতে ভাড়া থাকার। তার সাথে খুব ভালো ভালো কথা হলো। তিনি শোনালেন দিনাজপুরের কোন এক ঘটনার কথা। কিছুদিন সে বাড়ীতে আমি, আমার বন্ধু এবং সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কর্মচারী এবং ছাত্র সহ থাকতাম। কষ্ট পেলাম সেই জজ এর মৃত্যুতে। এরপর ভাগ্যে জুটলো বিশাল বড় একটা বিল্ডিং এর মধ্যে। Online এ কাজও পেয়ে গেলাম। কাজ শুরু হয়েছে হয়তো সেই জজ এর বাড়ী থেকে। সেই জাজ এর বাড়ীতে থাকার সময় আমার সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং বাহিরের কিছু গুন্ডাপান্ডা এর আক্রোমন শুরু হয়। ঠিক তারপর শুরু হয় ফাঁসি আর ফাঁসি খেলা। হয়তো এতে আমার খুশি হওয়া উতিৎ ছিলো কারণ, যে ছেলেটার দাঁড়ায় আক্রমনের শিকার হয়েছিলাম, তাদের বংশ বা অনুসারীদের মতো দেখতে মানুষ গুলোর একের পর এক ফাসি হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে এবং রাজনীতিকে আমি পছন্দ করতাম না। কিন্তু সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে হাসিনা নামের এক কালো বান্ধবী জোটে। তার সাথে পরিচিত হয়ে হাসিনা কে আমার বন্ধু বা শত্রু কোনটার মধ্যেই রাখলাম না। ফাঁসি আর ফাঁসি । এসব খবর এবং মৃত্যু আমাকে ভীষণ কষ্ট দিতো। সে যাইহোক, নতুন সেই বিল্ডিং এবং ঘরে ভালোই সময় কাটছিলো। Promotion পাওয়ার মতোই ভাগ্যে জুটলো সম্পুর্ন নতুন একটি Apartment. বেশ পছন্দ হলো আমার। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী, কিছু ভাই ব্রাদার এবং একজন মেয়ে মানুষ যে আসলে দেখতে অবিকল আমার এক পরিচিত বান্ধবির মতো দেখতে ছিলো। জানতে পারলাম যে, তার সে স্বামী ছিলো, সে ছিলো নানা ধরনের অপকর্মে লিপ্ত। মাঝে মাঝে কিছু মেয়ে বা মহিলারা আসতো। জানতে পারলাম তারা হোটেলে আজেবাজে কাজে লিপ্ত। ওসব নিয়ে ভাবতাম না। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কোন কারণ পাচ্ছিলাম না। একদম ভালো লাগতো না। কিন্তু হঠাৎ একটা অনুভুতি এবং ভালোলাগা শুরু হলো, যখন দেখলাম যে আমাদের department এ একটি নতুন মেয়ে এসেছে। সে দেখতে সেই মেয়েটার মতো যে আমাকে গান শোনাতো “ও মাস্টার সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই”। যদদূর সম্ভব আমি ছিলাম CR বা Class representative / class captain. মেয়েটাকে সেই মেয়েটার সাথে মিলিয়ে ফেলতাম। কিন্তু Villain এর মতো হাজির হলেন আমাদের নতুন Department Head. Department Head ও চেনা চেনা কিন্তু কে! বুঝে উঠতে পাচ্ছিলাম না। যতদূর সম্ভব চশমার সাহায্য নিলাম। তবুও বুঝে ওঠতে পাচ্ছিলাম না। অনেকদিন পর বুঝে উঠলাম, তার মাথাটা “ও মাস্টার সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই” গানটি যে আমাকে শোনাতো তার স্বামীর মাথার মতো। একজন ছাত্র বনাম Department Head! এর মধ্যে যদি অদৃশ্য যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে সেখানে টিকে থাকতে পারে এরকম কোন ছাত্র পৃথিবীতে আছে বলে আমার মনে হয় না। Department Head! এবং আমার সেই পরিচিত এর স্বামী এর মধ্যে পার্থক্য হলোঃ Department Head! এর মাথায় চুল নেই আবার অফিসে গিটার মানে গিটারো বাজায় হয়তো। আর অন্যজন এর উচ্চতায় সমস্যা। অবচেনত মন মনে করেদিচ্ছিলো লিলিপুট ও গালিভার এর গল্পের কথা। শক্তিতে তাদের সাথে জিতে যাওয়া কোন ব্যাপার ছিলো না কিন্তু তারা দেখি জাদুকর। জানতে পাড়লাম Software তৈরী করেতে জাদু শিখতে হয়। এসব জাদুফাদু আমাকে দিয়ে হবে না। বুয়েট এর সুত্র ধরে পরিচিত হয়েছিলাম “WordPress” নামক একটি Opensource Content management system এর সাথে। WordPress আমার খুব পছন্দ হলো। হিসেব করলে বেড়িয়ে আসে যে Software programmer দের শ্রষ্ঠা হচ্ছে WordPress. কাজের সাথে গল্প তৈরী করা বা কথা বলা,RJ/DJ ধরনের নানা রকম কাজের সাথে যুক্ত ছিলাম। এটাকে গান গাওয়ার অন্তভুক্তও হিসেবে ধরা যেতে পারে। যঠাৎ যাদুকরদের আনাগোনা। বুঝতে পাচ্ছি , কিন্তু অদৃশ্য কিছুর সাথে যুদ্ধ। ভুত, বা জীন বা পরী। কি আসলে, হচ্ছে টা কি। পরীদের সাথে ধরেনেই যে আমার ্সম্পর্ক ভালো কিন্তু পেত্নি বা জীন! তখনো আমি বুঝে উঠতে পারিনি যে আমি আসলে কিছু মৃত আত্মাদের সাথে কথা বলছি। এসব আত্মাদের ভীরে হঠাৎ পরিচিত সেই কন্ঠ। সম্পুর্ন নয়, কিন্তু আমি এই কন্ঠ চিনি। পুর্বেই আমি Hardware operation and maintenance পড়েছি। কম্পিউটারের চিকিৎসা করতে পারি। ও এটা কিন্তু অন্য এক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাহিনী। Department Head! এর সাথে যুদ্ধে আর জড়াইনি। কারণ, আমার বাবাও কোন এক সময় শিক্ষকতা করতেন। সে যাইহোক, আত্মাদের সাথে কথা। এসব আত্মাদের রানী যে আসলে হিজড়া না মেয়ে আমি জানি না। নয়তো বা কোন একসময় ভুলক্রমে অন্যধর্মের কোন এক দেবী বা দেবীর উপাসকের সাথে আমার ভালো সময় কেটেছি। নয়তোবা এসব আত্মার উৎপত্তি সেই দেবী বা দেবীর অনুসারীর। আবার মাঝে মাঝে আমার সেই মেয়ে বন্ধু কে তার প্রধান কারন মনে হতে শুরু হলো। যখন প্রেত আত্মার সাথে কথা বলছিলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যরকম একটা পার্সোনালিটি তৈরী হচ্ছিলো। তারা ভাবতো যে এটা পার্সোনালিটি, কিন্তু সত্যি বলতে সেটা ছিলো ভয়ানক রকমের একটা রাগ। আত্মাদের মাঝে সেই পরিচিত সূর সেটা আসলে কার! একেক সময়ে একেক গল্প বলছে! কখনো বলছে কাছের মানুষের কথা আবার কখনো অন্যকারো সাথে মিলিয়ে ফেলছে। জানিনা, এটা ইল্লিন এবং সিজ্জিন এর সাথে এর কোন সম্পর্ক আছে কি না। তারা আমার কাছে কি চায়! জান্নাত তো আল্লাহর সৃষ্টি কিন্তু জান্নাত নিয়ে আমার তৈরী অনেক গল্প আছে। একাধিক “জান্নাত” নিয়ে। একেরপর এক শরীর এর দেখা মিলছে কিন্তু তাদের আত্মার সাথে তাদের কোথায় যেন একটা সমস্যা। এইসব আত্মা আমি নিয়ে গেলো অন্য এক এলাকায়। সেখানে, দূর থেকে সেই আত্মার কথা শুনছি। শরীর পেয়ে গেলাম। “ও মাস্টোর সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই” যে শোনাতো এই গান, তার সাথে মিলে যাওয়া একটা শরীর। অন্যের স্ত্রী কিন্তু তার সকল কাহিনী আমার জানা। অবাক লাগলো যখন দেখলাম যেখানে আমার খুব প্রিয় একজন (ধরে নিতে পারেন পরিবারের), মেয়ে বা মহিলা এর সাথে দেখা। দেখা মিললো কালো পেত্নি টাইপের আরো একজনের সাথে। তাকে পেত্নিই বলবো, কারণ তার বিশেষ কিছু সমস্যা আমি খেয়াল করেছি। সে যাইহোক, আত্মা এর সাথে কথা এবং চেহারার মাঝে সেগুলো কিভাবে স্থাপন করতে হয়, তখনো আমি তা জানিনা। তাদের মাঝে আমার সেই পরিচিত মানুষ একা একটি বাসা নিয়ে থাকে। খুব মায়া হচ্ছিলো কারন সে ছিলো দেখতে আমার খুব কাছের একজন। আরো মায়া তৈরী হলো যখন সে আমাকে ভাই বলে ডাকছিলো। এরকজন ও “মাস্টোর সাব আমি নাম দস্তখাত শিখতে চাই” যে গান শোনাতো, তার মতো। তিনিও আমাকে ভাই বলে সন্ধন করতেন। তার একটা মেয়ে এবং ছেলে ছিলো। তার স্বামীকে আমাদের উপরের ছোট ভাই ব্রাদাররা Uncle বলতো। ইচ্ছে না থাকলেও আমকেও তাকে Uncle বলতে হতো। তার ছেলে এবং মেয়ে আবার আমার বেশ ভক্ত। তারাও আমাকে ভাইয়া বলতো। কি এক উলটাপালটা ব্যাপার। সে যাইহোক, এদের মধ্যে যে পরিচিত এবং আমাকে ভাই বলে ডাকতো সে আমাকে তার কিছু সমস্যা সম্বন্ধ্যে জানালো। অত্রএলাকায় রাজনীতি মানেই ছিলো খুনি, দেহব্যবসায়ী এবং ভয়ংকর। তার স্বামী তাদের মধ্যে একজন ছিলো। সেটার সমধান করতে অনেক মুল্য দিতে হয়েছে। আশা করি তিনি এখন ভালো আছে। কিন্তু একটা আত্মা , কিন্তু সেটা পরীর হওয়া উচিৎ ছিলো কিন্তু প্রেত হলো কিভাবে! সব শেষে যখন সেই এটিএম প্রতিস্থাপন হলো! আমি অবাক! এতো কঠিন এবং দুর্দান্ত একটা যুদ্ধ, বা অন্যকিছু ছিলো! কিন্তু যখন সেই আত্মা তাকে খুজে পেলো, তারপর থেকে সেই আত্মার সাথে আমার আর যোগাযোগ হয়নি। হয়তো সেই আত্মা জান্নাতের ছিলো বা জান্নাতে যাওয়ার অধিকার রাখে এরকম কারো! হয়তো সেই পরী, যার সাথে আমার বহু বছর থেকে কথা হতো। কিন্তু যখন সেই পরী বা আত্মা ইল্লিন এবং সিজ্জিন এদুটির মাঝে সঠিক স্থানটি বেড় করতে পাচ্ছিলো না, তখন তার খুব কষ্ট হচ্ছিলো। সেই পরী বা আত্মা তাকে খুজে পাওয়ারপর হয়তো সে জেনে গিয়েছে যে, তার সাথে আসলে কি হয়েছে বা এসব উড়িয়ে দিয়ে ভুলে গিয়েছে! হয়তো সেই পরী গল্প শোনায় আমাদের কোন পরিচিত ব্যাক্তিদের। হয়তো আগলে রাখে নানা ধরনের বিপদ থেকে। অথবা, এমনো হতে পারে যে সেই পরী আবারো কোন প্রেত চেহারায় এবং অসভ্য কারো কাছে বন্দী। এসব নিয়ে ভাবছি না। আমি জানি সে পরী যদি কোন খারাপ বা বাজে মানুষের কাছে পরে বা প্রেত আত্মারা যদি সেই পরীর পরিচিতদের সাথে যুক্ত হয়, তাহলে কি সর্বনাশ আসছে তা বোঝা কঠিন। আমি হয়তো তাকে খুব ভালো ভাবে চিনি! কিন্তু মানুষ হয়ে সে আমাকে কখনো চিনবে কিনা জানি না। খুব ইচ্ছে, জীবত থাকতেই সে যদি আমাকে চিনতে পারে ও আমার কাছে আসে, আমি অখুশি হবো না হয়তো।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শুভ
www.shanerhat.com
Image source: search engine.

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop